script type='text/javascript'> var w2bWidth="100"; var w2bScrollAmount="10"; var w2bScrollDelay="50"; var w2bDirection="left"; var w2btargetlink="yes"; var w2bnumPosts="10"; var w2bBulletchar =">>>"; var w2bimagebullet="yes"; var w2bimgurl="http://www.dan-dare.org/Dan%20FRD/JerryAni.gif"; var w2bfontsize="16"; var w2bbgcolor="000000"; var w2blinkcolor="FFFFFF"; var w2blinkhovercolor="3366CC";

LASIK , কী এবং কিভাবে করা হয় ??

টিউন করেছেনঃ | প্রকাশিত হয়েছেঃ 1:02 AM | টিউন বিভাগঃ
LASIK যার পূর্ণরুপ হলো Laser-Assisted in Situ Keratomileusis।
LASIK  হল LASER এর সাহায্যে চোখের এক ধরনের অস্ত্রোপচার অর্থাৎ এর মাধ্যমে চোখের কর্নিয়ায় LASER রশ্নি ফেলে কর্নিয়ার উপরিভাগে এমন একটি আচ্ছাদন (যা laser এর মাধ্যমে সৃষ্টি করা হয়) সৃষ্টি করা হয় বা কর্নিয়াকে reshape করা হয় যাতে আলো সঠিক ভাবে রেটিনায় প্রতিফলিত হতে পারে।
কর্নিয়াঃ কর্নিয়া হলো চোখের এমন একটি অংশ যেখানে আলো পড়ে এবং দর্শনের অনুভূতি জন্মায় ।
 রেটিনাঃ রেটিনা হল এমন কতগুলো কোষের সমষ্টি যা আলোকে (Optical Signal) বৈদ্যুতিক সংকেতে পরিনত করে কোন বস্তুর সঠিক অবস্থান সম্পর্কে মস্তিষ্ককে   জানতে সাহায্য করে ।

এখন আমি lasik সার্জারিতে ব্যবহার করা হয় এমন দুটি instrument এর সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিব।
১. Microkeratome : এটি একটি অত্যাধুনিক অস্ত্রোপচার ডিভাইস যার সাহায্যে কর্নিয়ার উপর একটি পাতলা আস্তরণের সৃষ্টি করা হয়,  এই আস্তরণের দেওয়ার পূর্বে ডাক্তারগন এই আস্তরণের গভীরতা ইত্যাদি সঠিক ভাবে পরিমাপ করে থাকেন । এই যন্ত্রের অভ্যন্তরে  এক বিশেষ ধরনের রিং বসানো থাকে যা চোখকে নির্ভুলভাবে এক স্থানে ধরে রাখে এবং এটি একটি ভ্যাকুয়াম টিউব দ্বারা সক্রিয় করা হয় যার মাধ্যমে কর্নিয়াকে উপরের দিকে উঠানো বা নিচের দিকে নামানো যায়।
নিচে Microkeratome এর কত গুলো ছবি দেয়া হলোঃ
২.Excimer laser : Excimer laser হচ্ছে এক বিশেষ ধরনের laser যা নিস্ক্রিয় গ্যাস ( আর্গন, ক্রিপটন,জেনন) এবং ফ্লোরিন অথবা ক্লোরিন এর সমন্বয়ে গঠিত। LASIK  অস্ত্রোপচার এর সময় এর মাধ্যমে চোখের উপরিভাগের টিস্যুকে vaporize বা remove করা হয়।
Excimer laser থেকে সাধারনত ১৫৬ ন্যানোমিটার – ৩০৮ ন্যানোমিটার রেঞ্জের  তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট ultraviolet রশ্মি নির্গত হয়।  তরঙ্গদৈর্ঘ্য গ্যাসের মিশ্রনে উপর নির্ভর করে। এর frequency 100 Hz এর হয়ে থাকে এবং pulse duration হয় ১০ ন্যানো সেকেন্ড এর মত।
LASIK সার্জারিতে ১৯৩ ন্যানোমিটার এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে যা আর্গন এবং ফ্লোরিনের সমন্বয়ে গঠিত । তাই অনেকে এটাকে  ArF-excimer বলে থাকেন। এই অতি উচ্চশক্তি সম্পন্ন অতিবেগুনি রশ্মির খুব অল্প পরিমান কর্নিয়ার উপর ফেলা হয় যা একবারে কেবলমাত্র ০.২৫ মাইক্রন টিস্যুকে পূর্ণরগঠিত বা অপসারণ করতে পারে।
আধুনিক excimer laser এ সয়ংক্রিয় eye-tracking সিস্টেম রয়েছে যা চোখের নড়াচড়া মনিটর করতে পারে , এর ফলে কর্নিয়ার সঠিক স্থানে লেজার রশ্মি (laser beam) প্রয়োগ করা যায়।
বি দ্রঃ আমি lasik বা লেজার সংশ্লিষ্ট কোন কাজের সাথে জড়িত নই। উপরের সকল তথ্য internet থেকে পাওয়া।
যদি লেখায় কোন প্রকার ভুল ত্রুটি থেকে থাকে তাহলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য সকলের নিকট অনুরোধ রইল।
লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
References :
উপরের লেখাটির পিডিএফ ডাউনলোড লিঙ্ক

Post of Newton Zigzag

Previous
Next Post »
Designed by MS Design

Powered by Blogger